ভালোবাসা দিবসের অ্যালবাম নিয়ে ব্যস্ত কৃষ্ণা তিথি

ভালোবাসা দিবসের অ্যালবাম নিয়ে ব্যস্ত কৃষ্ণা তিথি

নিউইয়র্ক: আগামী ভালোবাসা দিবসকে ঘিরে নতুন গানের অ্যালবাম নিয়ে ব্যস্ত প্রবাসের জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী কৃষ্ণা তিথি। আধুনিক গানের এ অ্যালবামে থাকবে দশটি গান আর এটি ঢাকা ও কলকাতার মিউজিক ডিরেক্টরদের যৌথ কম্পোজিশনে হচ্ছে। তিন বছর বয়সে গানের জগতে প্রবেশ করা হালের জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী কৃষ্ণা তিথি সময়ের আবর্তে অনেক বড় হয়েছে কিন্তু সেই যে চ্যানেল আই সেরাদের সেরা তিথি দর্শক নজরে আছেন ঠিক সমান জনপ্রিয়তায়।
‘দু:খ আমার বাসর রাতের পালঙ্ক’ গান গেয়ে যে তিথি বাংলাদেশ এবং প্রবাসের মানুষে নজর কেড়েছিল সেই তিথির মিক্সড অ্যালবাম মিক্সড সালাদও কম জনপ্রিয় হয়নি। কৃষ্ণা ভক্তদের মতে, কৃষ্ণা তিথি যেমন বাংলাদেশে জনপ্রিয় ঠিক তেমনি জনপ্রিয় প্রবাসেও। তাই যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা, ক্যালিফোনিয়া, ওয়ার্শিটন ডিসি, নিউজার্সি, ভার্জিনিয়াসহ ১০ স্টেটে শো করার সুযোগ হয়েছে প্রবাসী তরুণ প্রজন্মের জনপ্রিয় শিল্পী কৃষ্ণা তিথি।
তিন বছর বয়সে গানের জগতে প্রবেশ করলেও পা পড়েছে ছায়ানটে। আর পরীক্ষা দিতে হয়েছে সুবীর নন্দী, সাবিনা ইয়াসমিন, রুনা লাইলার মতো ভীষণ জনপ্রিয় ও গুণী শিল্পীর সামনে চ্যানেল আই সেরাদের সেরা কন্ঠ অনুষ্ঠানে।
গোপালগঞ্জে জন্ম নেয়া কৃষ্ণা তিথি বড় হয়েছেন ঢাকায়। পিতা তাপস কুমার খাঁ ও মা নিভা রাণী খাঁর ব্যাপক উৎসাহ রয়েছে তিথির জীবনে। বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশনের স্পেশাল আর্টিষ্ট বাবাই তিথিকে এতদূর আসার পেছনে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন। আর সেই ছোট বেলায় উস্তাদ জাকির হোসেন খাঁ যে তালিম দিয়েছিলেন পশ্চিমা মুল্লুকের জনপ্রিয় শিল্পী কৃষ্ণা তিথিকে তা বেশ কাজ দিয়েছে গানের জগতে। গত ১৮ সেপ্টেম্বর প্রদত্ত সাক্ষাৎকারে কৃষ্ণা তিথি বলেন, প্রবাসে গান গাইতে গিয়ে তেমন একটা ঝঁক্কি ঝামেলা পোহাতে হচ্ছে না, স্বাচ্ছন্দে গান করতে পারছি। আর সে গান করায় আগ্রহ যোগাচেছ প্রবাসের দর্শকরা। দর্শকদের ভীষণ আগ্রহের কারণেই নতুন অ্যালবাম নিয়ে ব্যস্ততা চলছে। (সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকা)

নিউইয়র্কে সম্মাননায় কৃষ্ণা তিথি

নিউইয়র্কে সম্মাননায় কৃষ্ণা তিথি

গানের পরশে বাঙালির হৃদয় জয়ের পর মার্কিনিরাও অভিভূত কৃষ্ণা তিথির সংগীতে। চ্যানেল আইয়ের সেরাকণ্ঠি এবং সেরাদের মধ্যেও সেরা খেতাবধারী কৃষ্ণা তিথি নিউইয়র্ক স্টেট অ্যাসেম্বলি, স্টেট সিনেট, সিটি কাউন্সিলের সম্মাননা স্মারক লাভ করলেন। আর এভাবেই বাঙালি শিল্পী তার জাদুকরী কণ্ঠের মোহনায় ভাসিয়ে নিচ্ছেন আমেরিকানদেরও। কু্ইন্স এবং ব্রঙ্কসের হাজার হাজার মানুষের বিপুল করতালির মধ্যে সম্প্রতি তাকে এসব সম্মাননা সনদ হস্তান্তর করা হয়।

কৃষ্ণা তিথি বলেন, এমন একটি সম্মাননায় সম্মানিত হতে পেরে অনেক ভালো লাগছে। ফোবানা, ঢালিউডসহ অনেক বড় বড় অনুষ্ঠানে গান করেছি। তবে আমেরিকার চেয়ে দেশই ভালো লাগে। প্রিয় জন্মভূমি বাংলাদেশকে প্রচণ্ড ভালোবাসি এবং মিস করি। তবে আমেরিকায় যে সব প্রবাসী বাংলাদেশি রয়েছেন তাদের দেশপ্রেম ও শিল্পীর প্রতি যে ভালোবাসা তার তুলনা চলে না। আমাদের শিল্প- সংস্কৃতিকে লালন করছেন, প্রবাসে জন্ম নেওয়া এবং বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের শিশু-কিশোরদের মধ্যে এই গান ছড়িয়ে দিতে চাই।