নিউইয়র্কে সম্মাননায় কৃষ্ণা তিথি

নিউইয়র্কে সম্মাননায় কৃষ্ণা তিথি

গানের পরশে বাঙালির হৃদয় জয়ের পর মার্কিনিরাও অভিভূত কৃষ্ণা তিথির সংগীতে। চ্যানেল আইয়ের সেরাকণ্ঠি এবং সেরাদের মধ্যেও সেরা খেতাবধারী কৃষ্ণা তিথি নিউইয়র্ক স্টেট অ্যাসেম্বলি, স্টেট সিনেট, সিটি কাউন্সিলের সম্মাননা স্মারক লাভ করলেন। আর এভাবেই বাঙালি শিল্পী তার জাদুকরী কণ্ঠের মোহনায় ভাসিয়ে নিচ্ছেন আমেরিকানদেরও। কু্ইন্স এবং ব্রঙ্কসের হাজার হাজার মানুষের বিপুল করতালির মধ্যে সম্প্রতি তাকে এসব সম্মাননা সনদ হস্তান্তর করা হয়।

কৃষ্ণা তিথি বলেন, এমন একটি সম্মাননায় সম্মানিত হতে পেরে অনেক ভালো লাগছে। ফোবানা, ঢালিউডসহ অনেক বড় বড় অনুষ্ঠানে গান করেছি। তবে আমেরিকার চেয়ে দেশই ভালো লাগে। প্রিয় জন্মভূমি বাংলাদেশকে প্রচণ্ড ভালোবাসি এবং মিস করি। তবে আমেরিকায় যে সব প্রবাসী বাংলাদেশি রয়েছেন তাদের দেশপ্রেম ও শিল্পীর প্রতি যে ভালোবাসা তার তুলনা চলে না। আমাদের শিল্প- সংস্কৃতিকে লালন করছেন, প্রবাসে জন্ম নেওয়া এবং বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের শিশু-কিশোরদের মধ্যে এই গান ছড়িয়ে দিতে চাই।

যুক্তরাষ্ট্রে গানের সম্মাননা পেলেন কৃষ্ণা তিথি

যুক্তরাষ্ট্রে গানের সম্মাননা পেলেন কৃষ্ণা তিথি

প্রবাসী বাংলাদেশি কণ্ঠশিল্পী কৃষ্ণা তিথি নিউ ইয়র্ক স্টেট অ্যাসেম্বলি, স্টেট সিনেট ও সিটি কাউন্সিলের সম্মাননা স্মারক লাভ করেছেন। কুইন্স এবং ব্রঙ্কসের তাকে এসব সম্মাননা সনদ হস্তান্তর করা হয়।

গোপালগঞ্জের সন্তান কৃষ্ণা তিথি তামিল নেন ছায়ানট ও জাতীয় নজরুল একাডেমি থেকে। আঞ্চলিক এবং জাতীয় পর্যায়ে গান গাওয়ার পাশাপাশি ‘চ্যানেল আই’র সেরা কণ্ঠে চতুর্থ হয়েছিলেন কৃষ্ণা তিথি। তার বাবা তাপস কুমার খাঁ রেডিও বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ টেলিভিশনের একজন তালিকাভুক্ত শিল্পী ছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্রে কানেকটিকাটের ব্রিজপোর্ট ইউনিভার্সিটি থেকে এমবিএ করেন শিল্পী কৃষ্ণা তিথি। লেখাপড়া সম্পন্ন করে ইউনিভার্সিটিতে খণ্ডকালীন চাকরি করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের ১৮টি স্টেটে গান করেছেন তিনি।

কৃষ্ণা তিথি বলেন, “এখানে প্রবাসীরা বাংলা সংস্কৃতিকে অন্তরে সব সময় লালন করেন। ব্রঙ্কসে একটি অনুষ্ঠানে গান করছিলাম। এক পর্যায়ে একজন মুক্তিযোদ্ধা আমার গানে আপ্লুত হয়ে আমাকে একটি দেশাত্মবোধক গান করতে বলেন। এমন ভালবাসা কোথায় পাবো?”তিথি আরও বলেন, “আমার এক ভক্ত একদিন এক অনুষ্ঠানের ড্রেসিং রুমে এসে জানালেন, তিনি আমার সব গানই শুনেছেন। প্রবাসে কোন অনুষ্ঠানে আমার নাম দেখলে উনি চলে আসেন। এই ভালবাসা বাঙালিই দিতে জানে। আপন করে নিতে বাঙালিই জানে।”